‘এবারের নির্বাচন জনগণ বনাম নৌকার’ - BSP TV 24

শিরোনাম

‘এবারের নির্বাচন জনগণ বনাম নৌকার’

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনের স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার বলেছেন, জাতীয় রাজনীতি আর স্থানীয় রাজনীতি এক নয়। স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে করে সরকার জনগণকে ঝামেলায় ফেলে দিয়েছে। স্থানীয় জনগণ গিনিপিগ না, তারা নিজস্ব সত্তা নিয়ে চলে। সেই চিন্তা-চেতনা নিয়েই নারায়ণগঞ্জের ভোটার ট্যাক্স-হোল্ডাররা এগোচ্ছেন।

তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন হবে জনগণ বনাম নৌকার। আমি যেমন বিএনপি তেমনি নারায়ণগঞ্জবাসী। নারায়ণগঞ্জের মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গে আমি জড়িত। তাই নারায়ণগঞ্জবাসীর ডাকে আমি আসব না এটা হতে পারে না।

সোমবার সকালে বন্দরের ২৩নং ওয়ার্ডে গণসংযোগকালে এসব কথা বলেন তিনি। সোমবার দিনভর তিনি বন্দরের ২৩ ও ২৪নং ওয়ার্ডে তার প্রচারণা চালান।

এ সময় তৈমুর বলেন, সরকারি দলের ব্যাপারে আমি কোনো প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে চাই না। জনগণ মতামত দেবে। জনগণের দৃষ্টিই আমার দৃষ্টি। কালো টাকা আমি চোখেও দেখিনি, এ সম্পর্কে আইডিয়াও নেই। আমার স্লোগান হচ্ছে- ‘নিজের খাইয়া তৈমুর’। আমি যে নির্বাচন করছি আমার এক টাকাও খরচ হচ্ছে না। শুধু আমার নিজের গাড়ি দিয়ে ঘুরি, সেই গাড়ির তেল খরচ আমার। বাকিটা যার যার খরচ সে বহন করে।

তৈমুর বলেন, আমি সিটি করপোরেশনকে জনমুখী করব। এর আগে আমি রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছি। সেগুলোকেও আমি জনমুখী করে তুলতে সক্ষম হয়েছি। আমি হব জনগণের এবং জনগণ হবে আমার। যেখানে যে সমস্যা আছে, প্রশাসন-আমলাদের ওপর নির্ভর না করে জনগণের মতামতের ওপর ভিত্তি করে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

তিনি বলেন, ছবিই কথা বলবে। আপনি কী বলতে চান মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরা নৌকায় ভোট দেবে। বিএনপিকে কি ষড়যন্ত্র করে নৌকায় ভোট দিতে বাধ্য করা হবে? জনগণের নিজস্ব চিন্তা আছে। আমি যে কথাগুলো মেয়রের ব্যর্থতার ব্যাপারে বলছি, এটা মেয়রের বিরুদ্ধে না। সেটা হলো হোল্ডিং ট্যাক্স বাড়ানো হয়েছে। পানির জন্য অতিরিক্ত দেড় লাখ টাকা নিচ্ছে। প্রতি বছরই ট্রেড লাইসেন্সের ফি বাড়ায়। জন্মনিবন্ধন করতে মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হয়। এগুলো সত্য না মিথ্যা আপনার হাতের কাছেই সাক্ষী আছে। জনগণই বলবে আপনাকে।

তৈমুর আরও বলেন, সিটি করপোরেশন কন্ট্রাক্টরদের সিন্ডিকেটে পরিণত হয়েছে। কন্ট্রাক্টররা সিটি করপোরেশন পরিচালনা করছে। কোন রাস্তায় কি এস্টিমেট হবে তা তারা ঠিক করে। আমরাও বড় বড় সংস্থা চালিয়ে এসেছি। কোনো কন্ট্রাক্টর আমাদের রুমে ঢুকতে পারেনি। বাকিটা আপনারা জেনে নিয়েন।